কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর কালিগঞ্জে ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভিজিএফ’র সাড়ে ৩শ বস্তা চালসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিলগালা।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর কালিগঞ্জে ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভিজিএফ’র সাড়ে ৩শ বস্তা চালসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিলগালা।

সাইফুর রহমান শামীম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃঃ কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কালিগঞ্জ ইউনিয়নের কালিগঞ্জ বাজারে সাড়ে ৩শ বস্তা ভিজিএফ’র চাউলসহ ৫ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দিয়েছেন নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শঙ্কর কুমার বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরেজমিনে কালিগঞ্জ বাজারে চাউল ব্যবসায়ীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভিজিএফ’র চাউলের বস্তা দেখতে পেয়ে এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেয়।

এ ব্যাপারে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শঙ্কর কুমার বিশ্বাস জানান, আমি খবর পেয়ে সরেজমিনে ৫ জন চাউল ব্যবসায়ীর গোডাউন ঘরে প্রায় সাড়ে ৩শ বস্তা ভিজিএফ’র চাউল দেখতে পেয়ে সে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সিলগালা করে দিয়েছি। যেহেতু সরকারী রিলিফের চাউল বিক্রী যোগ্য নয় সেহেতু ভিজিএফ’র এসব চাউল যাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পাওয়া গেছে আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে হতদরিদ্র ও দুস্তদের জন্য ২০ কেজি করে চাউল বিতরনের জন্য জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে চাউল বরাদ্দ দেয় সরকার। গত ১০ ও ১১ আগষ্ট প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেই চাউল সরকারী গোডাউন থেকে উত্তোলন করে ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউনে মজুদ রেখে পর্যায়ক্রমে বিতরণ শুরু করে। অনেক ইউনিয়নে এখনও ভিজিএফ’র চাউল বিতরন শেষ হয়নি।

এদিকে বিতরণের জন্য ২৯শ বস্তা (৮৯ মে.টন) চাউল উত্তোলন করেন কালিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান। এরমধ্যে গত ১২ আগষ্ট থেকে বিতরণ শুরু করলেও ২৫০ বস্তা চাউল এখনও বিতরন করতে পারেননি। এব্যাপারে নাগেশ্বরী উপজেলার কালিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান জানান, আমি গত ১০ ও ১১ আগষ্ট সরকারী গোডাউন থেকে ভিজিএফ’র চাউল উত্তোলন করে তা বিতরণ শুরু করেছি। আমার ইউনিয়নে চরাঞ্চল থাকায় এখনও ২৫০ বস্তা চাউল বিতরণ করতে পারিনি। তবে কালিগঞ্জ বাজারে ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠানে ভিজিএফ’র চাউল থাকার বিষয়টি তিনি জানেন না বলে জানান।##

Comments

comments